তিনি বলেন, ‘এবার নৌযাত্রায় দুর্ভোগ কম হয়েছে। ১০ শতাংশ ভাড়া কমানোর তালিকা লঞ্চে রয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে মাইকিং করেছেন। কেবিনের টিকিটেও নির্ধারিত ভাড়া নেয়া হয়েছে। লঞ্চঘাট হকারমুক্ত করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘সব লঞ্চ বার্থিং করা যায়নি। তবে আগামী ঈদে এ সমস্যা থাকবে না। সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।’
নৌ প্রতিমন্ত্রী বরিশাল লঞ্চঘাটে পৌঁছে সব লঞ্চ ঘুরে দেখেন। তিনি যাত্রী, লঞ্চমালিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তাদের বিভিন্ন নির্দেশনা দেন।




