বান্দরবানে বাদাম চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

বাদাম সংগ্রহ করছেন কৃষক
এখন জনপদে
0

বান্দরবানের সাঙ্গু নদীর তীরে দিন দিন বাড়ছে বাদাম চাষ। বর্ষা শেষে নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় জেগে ওঠা চরে বাদাম চাষ করছে নদীর তীরবর্তী বাসিন্দারা। স্বল্প ব্যয় ও কম শ্রমে অধিক লাভবান হওয়ায় খুশি বাদাম চাষিরা।

সাঙ্গু নদীর বিস্তীর্ণ চর এখন সবুজের সমারোহ। নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় জেগে ওঠা চরে শুরু হয়েছে বাদামের চাষ।

বান্দরবান জেলার সদর, রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি, লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সাঙ্গু নদীর বিস্তীর্ণ চর জুড়ে এখন একই দৃশ্য। প্রতিবছর নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে নদীর পানি শুকিয়ে গেলে দুই তীরে বাদাম রোপণ করে চাষিরা।

বাদাম চাষিরা জানান, অন্যান্যবারের তুলনায় এবার ফসল ভালো হয়েছে। বাদামগুলোও ভালো হয়েছে। আশা করা যায় তিন লাখ টাকার মতো বিক্রি করা যাবে।

আরও পড়ুন:

সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ৪ থেকে ৫ মাসের মধ্যে পরিপক্ব হয় বাদাম। পাহাড়ি এ জেলার নদীর চরের বেলে দোঁআশ মাটি বাদাম চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলনও হয়েছে ভালো। পাহাড়ে বাদাম চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন সহযোগিতার কথা জানান কৃষি বিভাগ।

বান্দরবান কৃষি বিভাগের উপপরিচালক আবু নাঈম মো.সাইফুদ্দীন বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে যদি আমরা তাদের আরও প্রশিক্ষণ দিতে পারি, তাদের আরও মোটিভেট করতে পারি, তাদের যে জমিগুলো আছে সবগুলো আমরা কাজে লাগাতে পারি তাহলে উৎপাদন কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। বিশেষ করে ২০০ জন কৃষককে আমরা এ বছর প্রণোদনা দিয়েছি। এটা যদি আরও বাড়ানো যায় কৃষকরা লাভবান হবেন।’

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে চলতি বছরে পাহাড়ে ২৩৪২ হেক্টর জমিতে বাদামের আবাদ হয়েছে।

ইএ