ব্যাটালিয়নের অধীনে থাকা ২৯টি বিওপি ও পাঁচটি বিশেষ ক্যাম্প থেকে নিয়মিত ও বিশেষ টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্তজুড়ে নজরদারি বাড়িয়ে সন্দেহজনক চলাচলের ওপর কড়া দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
চোরাকারবারীরা যাতে বোতল বা জারকিনে করে পেট্রোল ও অকটেন সীমান্ত পেরিয়ে পাচার করতে না পারে, সেজন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বসানো হয়েছে অস্থায়ী চেকপোস্ট। সেখানে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম চলছে নিয়মিত।
দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানিয়েছেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি জ্বালানি পাচার রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।





