ছেলের এমন অবস্থায় রোহানের মা চম্পা অশ্রুসিক্ত হয়ে বলেন, ‘আমার ছেলের প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, ডাক্তাররা খুব চেষ্টা করছে ওকে বাঁচানোর। আগের চেয়ে একটু ভালো হলেও এখনো আশঙ্কামুক্ত নয় রোহান। বাকিটা আল্লাহ জানে....।’
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেট্রিয়েটিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. গোলাম মাওলা এখন টিভিকে বলেন, ‘আমাদের এখানে পেট্রিয়েটিক বিভাগের আইসিইউর জন্য প্লান্ট তৈরি করা হলেও এখনো সরকার থেকে যন্ত্রপাতি দেয়া হয়নি, সংকট লোকবলেরও। আপাতত সি-পেপ পদ্ধতি অবলম্বন করে এক থেকে দের মাসের বাচ্চাদের অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে যাচ্ছি আমরা।’
আরও পড়ুন:
’ময়মনসিংহে প্রতিনিয়তই বাড়ছে হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা, ময়মনসিংহ ছাড়াও বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে রুগীরা এসে চিকিৎসা নিচ্ছেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম আইসোলেশন ইউনিটে।
পর্যাপ্ত শয্যা না থাকায় মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের। চিকিৎসা সেবা দিতেও হিমশিম অবস্থা চিকিৎসক-নার্সদের। পেট্রিয়েটিক আইসিইউ না থাকায় এক থেকে দেড়মাসের শিশুকে অক্সিজেন দিতে ব্যবহার করতে হচ্ছে ডাক্তারদের তৈরি বাবল সিপেপ।
আরও পড়ুন:
এছাড়া তীব্র নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, জ্বর-ঠান্ডাকাশি নিয়ে প্রতিনিয়তই ভর্তি হচ্ছে রোগীরা। হামের সংক্রামণ মোকাবিলায় আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কও হওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের।
এদিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালে হামে মারা গেছে সাতজন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২৮ জন এবং মোট ভর্তি আছেন ৮০ জন রোগী, এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছে ২৭৬ জন।
এছাড়া ময়মনসিংহ সদর, ত্রিশাল, ফুলপুর— এই তিন উপজেলায় এক লাখ ৬৫ হাজার ৭৫০ জন শিশুর মাঝে হামের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।





