মারিশ্যা ব্যাটালিয়নের (২৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ এ অভিযানে নেতৃত্বে দেন। অভিযানে আরও অংশ নেন সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান ও ক্যাপ্টেন অমিত কুমার সাহাসহ বিজিবির একটি টহল দল। এসময় ৩ থেকে ৪ জন সন্দেহভাজন চোরাকারবারী ঘটনাস্থলের কাছে এলে বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে।
এসময় অভিযান পরিচালনা করে উদ্ধার করা হয়, ১টি ৭ দশমিক ৬৫ মিলি মিটার বিদেশি পিস্তল, ১ রাউন্ড গুলি, ৯টি খালি গুলির খোসা, পিস্তল বহনের ব্যাগ ও কভার, ১টি দেশিয় একনলা বন্দুক ও ৭টি খালি খোসা, ৫টি চাইনিজ চাপাতি, ২টি দেশি দা, ১টি লোহার হাতুড়ি, ১টি বাটুল গুলটি, ২৬টি কাঁচের মার্বেল ও ৫টি স্টিলের মার্বেল, ১টি পুরাতন স্কুল ব্যাগ। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
আরও পড়ুন:
বিজিবি মারিশ্যা ব্যাটালিয়ন (২৭ বিজিবি) জানায়, ইয়াবা ও বিদেশি সিগারেটের একটি বড় চালান পাচারের উদ্দেশে চোরাকারবারীরা এ এলাকায় অবস্থান করছিলো বলে গোয়েন্দা তথ্য ছিলো। উদ্ধারকৃত এসব অস্ত্র ও সরঞ্জাম অবৈধ চোরাচালান এবং সিগারেট পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়ে আসছিলো।
মারিশ্যা জোন (২৭ বিজিবি) কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চোরাকারবারীরা বিভিন্ন নতুন কৌশল ব্যবহার করে তৎপরতা বাড়ালেও বিজিবি গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করে এসব কার্যক্রম প্রতিহত করে যাচ্ছে।’





