পুলিশ জানায়, বিজিবির একটি টহল দল সীমান্তে টহলরত অবস্থায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে। সীমান্তের জিরো লাইন থেকে আনুমানিক ৫০ মিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মরদেহটি পড়ে ছিল। পরে মহেশপুর থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
মহেশপুর থানা পুলিশের ও বিজিবি পৃথক সূত্র জানিয়েছে, নিহত যুবকের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। স্থানীয় কোনো ব্যক্তি নিখোঁজ আছে বলেও কোনো অভিযোগ থানা পুলিশ ও বিজিবির কাছে নেই। মরদেহ উদ্ধারের পরে সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করার পরে মরদেহ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, ‘অজ্ঞাত মরদেহটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পড়েছিল। গত কয়েকদিনে মহেশপুর বিজিবির আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় কোনো গুলির ঘটনাও ঘটেনি। যেহেতু মরদেহটি জিরো লাইনের ৫০ গজ দুরে বাংলাদেশের ভেতরে পাওয়া গেছে। কাজেই, এটি সীমান্ত কেন্দ্রীক ঘটনা কিনা তা আমরা নিশ্চিত নই।’
মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, ‘ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’





