এসময় শেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহীন বলেন, ‘জেলায় এখন পর্যন্ত মোট ৮২ জন সন্দেহজনক হাম রুগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কারও হাম পজেটিভ আসেনি।’
এছাড়া বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে ২৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী ভর্তি রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সিভিল সার্জন আরও বলেন, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত শেরপুর জেলায় ১ লাখ ৪২ হাজার ৮১১ জন শিশুকে এবং স্কুল পর্যায়ে ১৮ হাজার ৬২১ জন শিশুসহ সর্বমোট ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৩২ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জেলার ৭৭৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ মোট ১ হাজার ৩৩৫টি কেন্দ্রে ওই টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা প্রদান করা হবে। আগে টিকা পেয়ে থাকলেও এই বয়সের সব শিশুকে এ ক্যাম্পেইনের সময় ১ ডোজ এমআর (হাম-রুবেলা) টিকা দেয়া হবে। ৬ মাস অর্থাৎ ১৮০ দিন পূর্ণ হলে এবং ৫ বছরের কম বয়সি অর্থাৎ ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন পর্যন্ত বয়সের শিশুদের এই টিকা প্রদান করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে হাম-রুবেলার উপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আহসান হাবীব হিমেল।




 in front of a market chart and US dollar-320x167.webp)
