সেমিনারে কুমিল্লা বার্ড, কোটবাড়ি ও কালির বাজারকে কেন্দ্র করে ‘ড. আখতার হামিদ খান স্যাটেলাইট সিটি’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা বিশেষ গুরুত্ব পায়। যা মূল শহরের জনসংখ্যার চাপ কমাতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি লালমাই পাহাড়ে ইকো-ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের মাধ্যমে পর্যটন খাত উন্নয়নের কথা বলেন।
কুমিল্লাকে আঞ্চলিক বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে সংযোগ, অর্থনৈতিক করিডোর এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের বিষয়ও গুরুত্ব পায়। একইসঙ্গে জলাবদ্ধতা নিরসনে শহর রক্ষা বাঁধ ও আধুনিক জলাধার নির্মাণ এবং কারাগার স্থানান্তরের মাধ্যমে উন্মুক্ত পার্ক গড়ার প্রস্তাব দেয়া হয়।
এছাড়া ঢাকা-কুমিল্লা সরাসরি রেলপথ চালু, বিমানবন্দর উন্নয়ন, ইপিজেডের বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে ওভারপাস-আন্ডারপাস নির্মাণের সুপারিশ করা হয়। বক্তারা বলেন, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।
আরও পড়ুন:
এছাড়া যানজট নিরসনে সমন্বিত গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালু এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বিতীয় ক্যাম্পাস শহরের সম্প্রসারিত অংশে স্থানান্তরের প্রস্তাব দেন। অবকাঠামোগত উন্নয়নে গোমতী নদীর ওপর নতুন সেতু, আলেখারচরে আধুনিক বাস টার্মিনাল এবং উত্তর-দক্ষিণ সংযোগ জোরদারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাস্টারপ্ল্যান ডেভেলপমেন্ট এক্সপার্ট ও জাইকার কনসালটেন্ট মো. মেহেদী হাসান ও সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম এম শফিকুল করিম সুমন। এসময় বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
এছাড়া, বক্তব্য রাখেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সহ-সভাপতি শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. নূরুল্লাহ এবং বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের পরিবেশ ও নগরায়ণ কমিটির সদস্য স্থপতি মুহাইমিন শাহরিয়া।





