নেত্রকোণায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের ঘটনায় সেই শিক্ষক গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহ
মাদ্রাসা শিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী সাগর
অপরাধ
এখন জনপদে
0

নেত্রকোণায় ১১ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে নিপীড়ন ও অন্তঃসত্ত্বা হয়ে যাওয়ার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী সাগরকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গতকাল (মঙ্গলবার, ৫ মে) ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি অন্তঃসত্ত্বা শনাক্তকারী চিকিৎসককে হুমকির ঘটনাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে বলে জানান র‌্যাব ১৪ এর অধিনায়ক।

নেত্রকোণায় মাদ্রাসা শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ১১ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রী। এমন খবরে তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্তে নামে র‌্যাবের একাধিক টিম।

অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক এরইমধ্যে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকে। সবশেষ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার রাতে গৌরীপুরের সোনামপুর এলাকা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে অন্তঃসত্ত্বা শনাক্তকারী চিকিৎসককে হুমকি দেয়ার ঘটনা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে বলে জানান র‌্যাব ১৪ এর অধিনায়ক।

জানা যায়, নেত্রকোণার মদনের ফাতেমা তুজ জোহরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল ওই শিশুটি। শিশুটির বাবা তাদের ফেলে নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়ার পর নানীর কাছে থেকেই পড়াশোনা করতো ওই শিশু। মা করতেন গৃহপরিচারিকার কাজ।

সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন ঘটলে শিশুটির মা নেত্রকোণার মদনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। তখনই ধরা পড়ে শিশুটির অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি। গত ২৩ এপ্রিল এ বিষয়ে নেত্রকোণার মদন থানায় মেয়েকে নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক সাগরের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা। এরপর থেকে মাদ্রাসায় তালা দিয়ে পলাতক ছিলেন অভিযুক্ত সাগর।

এএইচ