প্রধান অতিথি হিসেবে কুচকাওয়াজ পরিষদর্শন, সালাম গ্রহণ, গ্রাজুয়েটদের মধ্যে পদক ও ব্যাজ প্রদান বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
তিনি বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বহু প্রতিকূলতা অতিক্রম করে আজকের এ গৌরব উজ্জ্বল অবস্থানে উপনীত হয়েছে। দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিমান বাহিনীর সদস্যগণ অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে বিমানবন্দরসমূহের সব ফ্লাইট কার্যক্রম স্থিতিশীল রাখাসহ সেবা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দৃশ্যপট বদলে দিয়েছিল, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
আরও পড়ুন
‘একই সঙ্গে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী কর্তৃক গঠিত টার্স্কফোর্স বিমানবন্দরের পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়াও বিমান বাহিনী প্রধান তার বক্তব্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নে চলমান প্রচেষ্টা সমুহের উপর আলোকপাত করেন।’
এ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৫ জন নারী অফিসারসহ মোট ৪১ জন অফিসার ক্যাডেট কমিশন লাভ করেন।
কুচকাওয়াজ শেষে বিমানবাহিনী অ্যাকাডেমির বিভিন্ন প্রকার বিমানের মনোজ্ঞ ফ্লাইপাস্ট, আকর্ষণীয় অ্যারোবেটিক ডিসপ্লে এবং বিমান বাহিনীর চৌকস প্যারাট্রুপারদের হেলিকপ্টার হতে দৃষ্টিনন্দন প্যারা জাম্পিং অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কূটনৈতিক মিশনের সদস্যবর্গ, সামরিক ও অসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ অনেকে।





