ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার

কক্সবাজার শহর
এখন জনপদে
1

ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের শহর কক্সবাজার। নিরাপত্তা, আবাসন ও পর্যটনসেবা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ব্যাপক প্রস্তুতি। ঈদে লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে সৈকত নগরী এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

কক্সবাজারে ঈদুল আজহার টানা ছয় দিনের ছুটিকে ঘিরে পর্যটকদের আগমনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। এবার ঈদে কক্সবাজারে লাখো পর্যটকের ঢল নামবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসগুলোতে ব্যাপক বুকিং শুরু হয়েছে।

হোটেল-মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, ঈদ উপলক্ষে হোটেল-মোটেল কক্ষ ভাড়ায় কোনো ছাড় রাখা হয়নি। তবে পর্যটকদের সেবায় সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে প্রায় ৬৮ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। আগামী দু’এক দিনের মধ্যে বুকিংয়ের হার আরও বাড়বে বলে আশা করছি।’

বর্তমানে কক্সবাজারে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউস পর্যটকদের সেবা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

আরও পড়ুন:

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়ান জানান, ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরা। কক্সবাজার শহরের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্ট ছাড়াও ইনানী, হিমছড়ি ও পাটোয়ারটেক এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

তিনি আরও জানান, নিয়মিত টহল টিমের পাশাপাশি অতিরিক্ত মোবাইল টিমও কাজ করছে। একইসঙ্গে সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবেন ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা। জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে।

এদিকে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, ঈদে পর্যটকদের যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য কঠোর নজরদারি থাকবে। অতিরিক্ত হোটেল ভাড়া আদায় কিংবা খাবারের দাম বাড়িয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা যেন পর্যটকদের ভোগান্তিতে না ফেলতে পারে, সে বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পরিবার-পরিজন নিয়ে পর্যটকদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ভ্রমণের জন্য প্রস্তুত এখন পুরো কক্সবাজার।

এসএইচ