পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ঈদুল আজহার দিন বিকেলে বাঘারবাড়ি গোষ্ঠীর মন মিয়ার দোকানের সামনে পশুর চামড়া রাখে শরীয়ত উল্লাহ গোষ্ঠীর কামাল ও জয়নাল। এ সময় দোকানের সামনে পশু চামড়া থেকে রক্ত ছড়িয়ে পড়লে বাঘারবাড়ি গোষ্ঠীর আক্তার মিয়া প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে উভয় গোষ্ঠীর লোকজনের দেশিয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। রাতের আঁধারে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ঘন্টাব্যাপী চলে এই সংঘর্ষ। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ. কে. এম. শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে এ বিষয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইগত ব্যবস্থা নিচ্ছে।





