বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩১ মে) ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের হোয়াইক্যং বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ এর কাছাকাছি উখিয়ার ক্যারেঙ্গাঘোনা এলাকায় অবস্থান নেয়।
পরে ভোর ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে ৪ থেকে ৫ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় চোরাকারবারিরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত মিয়ানমারের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। পরিস্থিতিতে বিজিবি সদস্যরা নন-লেথাল অস্ত্র ব্যবহার করে ফায়ার করলে চোরাকারবারিরা তাদের সঙ্গে থাকা মাদকদ্রব্য ফেলে সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমারে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পলিথিনে মোড়ানো খাকি রঙের একটি প্যাকেটের ভেতর থেকে নীল রঙের বায়ুরোধী আটটি প্যাকেটে রাখা মোট ৮০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তবে দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়েও অন্য কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’





