ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। প্রথমে আদমজী ইপিজেডের নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় নারায়ণগঞ্জ, কাঁচপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন স্টেশন থেকে অতিরিক্ত ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
দীর্ঘ প্রায় তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর সকাল ৭ টা ১০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুন নেভানোর কাজে মোট ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও ৯টি ইউনিট সরাসরি আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। সবশেষ বেলা পৌনে দশটায়ও ডাম্পিংয়ের কাজসহ আনুষঙ্গিক কাজ চলছিল বলে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোর রাতে হঠাৎ করেই কারখানার গোডাউন থেকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা বের হতে দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে পুরো আদমজী ইপিজেড এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। আগুনের খবর পেয়ে কারখানার শ্রমিক ও আশপাশের লোকজন নিরাপদ স্থানে সরে যান।
ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক ছালেহ উদ্দিন বলেন, ‘ভোর ৪টা ১০ মিনিটে আমরা আগুন লাগার সংবাদ পাই। প্রথমে ইপিজেডের নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস কাজ শুরু করলেও আগুনের ভয়াবহতার কারণে নারায়ণগঞ্জ, কাঁচপুরসহ বিভিন্ন স্টেশন থেকে মোট ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৯টি ইউনিটের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, স্টোর রুমে বিপুল পরিমাণ কাপড় মজুত থাকায় কিছু জায়গায় এখনও অল্প অল্প ধিকিধিকি আগুন জ্বলছে। তবে সেটি আর বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করবে না বলে ফায়ার সার্ভিস নিশ্চিত করেছে।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার পর তদন্তের মাধ্যমে আগুনের উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।





