১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সূত্রে জানা যায়, গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে ইরানী পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন ক্যাম্প-৮ ওয়েস্টের এইচ/২৯ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, জুবায়ের নিজ বসতঘর থেকে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন। প্রতিবেশী ইব্রাহিমের ঘরের সামনে পৌঁছালে একদল অজ্ঞাত সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে প্রায় পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। হামলার পরপরই তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
আরও পড়ুন:
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয় রোহিঙ্গারা জুবায়েরকে উদ্ধার করে ক্যাম্পসংলগ্ন এমএসএফ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, রোহিঙ্গাদের দুটি সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে চলমান অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সিরাজ আমীন বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান চলছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’





