তিন কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘নির্বাচনে যদি অনিশ্চয়তা না থাকে, তাহলে সেটাকে নির্বাচন বলা যায় না; সেটা মনোনয়ন। সারা বাংলাদেশের সকলেই জানতেন এই ভোটের ফলাফল কী হবে। সুতরাং এটাকে আমি নির্বাচন বলতেই চাই না।’
ভোট না দেয়ার দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম হচ্ছে যে ৭০ অনুচ্ছেদকে অ্যাজ ইট ইজ আমরা রাখব না। দলের সদস্যরা দল করলেও তারা চাইলে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। কিন্তু আমরা দেখলাম বারবার সতর্ক করা হলো যে বিএনপির যারা সংসদ সদস্য আছেন, তারা দলের বাইরে কোনোভাবেই ভোট দিতে পারবেন না। যদি তারা ভোট দেন, তাহলে তাদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে। তাহলে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বড় বড় কথা কী দরকার ছিল?’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন যে আমরা এখনই ৭০ অনুচ্ছেদটা সংশোধন করব এবং সদস্যরা চাইলে দলের বাইরে ভোট দিতে পারবেন। তাহলে এ ভোটে তাদের সেই অধিকার দেয়া হলো না কেন?’
তৃতীয় কারণ উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমরা সকল দল মিলে একজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দিতে পারতাম। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য যেটা ২০১৬ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন একটা ভারসাম্য আনা হবে। যেটি বিএনপির ৩১ দফাতেও আছে। সেগুলো নিয়ে কিন্তু আমরা কোনোরকম কোনো কথা শুনি না। তাই সবকিছু দেখে আমার মনে হয়েছে আমি এই প্রহসনের অংশ হতে চাচ্ছি না।’





