ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক: মেয়াদ ফুরালেও কাজ হয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ

ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক
এখন জনপদে
0

ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয়লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলছে ধীর গতিতে। বাড়ানো হয়েছে কাজের মেয়াদ, সেটিও শেষের পথে। অথচ কাজ হয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সড়কে চলাচলকারীরা। জেলা প্রশাসন বলছে, প্রকল্পকে জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। আর প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জমি বুঝে পেলেও স্থাপনা অপসারণ না হওয়ায় পুরোদমে শুরু হচ্ছে না কাজ।

ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের অনুমোদন হয়েছে ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর। কাজের মেয়াদ একদফা বাড়িয়ে বর্ধিত করা হয় ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর মাত্র কয়েকমাস বাকি থাকলেও কাজ হয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ। কয়েকটি স্থানে ফ্লাইওভারের পাইলিং, ব্রিজের গার্ডার, কালভার্টের কিছু অংশ করা হলেও সড়কের মূল উন্নয়নকাজ এখনো শুরু হয়নি। ফলে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগে পড়ছেন এ সড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও চালকরা। ধুলাবালি, খানাখন্দ আর ধীরগতির যান চলাচলে এই মহাসড়ক এখন বিপদের আরেক নাম। দ্রুত সকল জটিলতা কাটিয়ে পুরোদমে কাজ শুরু করার আহ্বান স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা জানান, রাস্তা অতিরিক্তই খারাপ। এই রাস্তায় লোকজন চলাফেরার কষ্ট, নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে। যে পরিবেশ! আর গাড়ি প্রচুর নষ্ট হচ্ছে। প্লাস মানুষের সময় নষ্ট। সিক্স লেনের প্রকল্পটা খুব ধীরগতিতে চলছে। যার কারণে বিভিন্ন জায়গায় যানজট হচ্ছে। এই কাজের যে গতি, তাতে ৫ থেকে ১০ পার্সেন্ট কাজ হয়েছে।

এদিকে জেলা প্রশাসন বলছে, গতমাসে প্রকল্পকে জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, ছয় থেকে সাত মাস আগে আমাদের প্রথম ফেজ যেটি, সেটি আমরা উইকেয়ার প্রকল্পকে বুঝিয়ে দিয়েছি। সদরের যে অংশটুকু, সেটিও আমরা গত মাসে বুঝিয়ে দিয়েছি। আমাদের দিক থেকে ভূমি অধিগ্রহণের কোনো সমস্যা নেই।

আর সড়ক বিভাগ বলছে, জমি বুঝে পেলেও এখনও অনেক স্থাপনা অপসারণ হয়নি। স্থাপনা সরানো হলেই পুরোদমে কাজ শুরু হবে।

উইকেয়ার ফেজ-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নিলন আলী বলেন, আমাদের কাজের ক্ষেত্রে যেটা হচ্ছে, কিছু কিছু স্থাপনা এখনও আছে। তো সেগুলো হয়তো খুব দ্রুততম সময়েই হয়তো উনারা স্থাপনাটা সরিয়ে নিবেন। এবং আমরা প্রস্তুত আছি কাজের জন্য।

ইএ