আজ (মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ মো. আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৬ আগস্ট রাতে জেলার সাজেকের উত্তর ভাইবোন ছড়া গ্রামে বৃদ্ধ শান্তি লাল চাকমাকে পারিবারিক কলহের জেরে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে গুমের উদ্দেশ্য মরদেহ পার্শ্ববর্তী গঙ্গারাম নদীতে ফেলে দেয়া হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আলোময় চাকমা ও ভাতিজা সোহেল চাকমার বিরুদ্ধে সাজেক থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন প্রতিবেশী প্রত্যক্ষদর্শী বিনয় শংকর চাকমা।
আরও পড়ুন:
আসামি সোহেল চাকমা নিহত শান্তি লাল চাকমার প্রথম স্ত্রীর ছোট ছেলে। প্রথম স্ত্রীর মারা যায় এবং দ্বিতীয় স্ত্রী স্বেচ্ছায় সংসার ছেড়ে চলে গেলে বাড়িতে একাই থাকতেন বিনয় শংকর চাকমা। অপর আসামি আলোময় চাকমা আপন ভাতিজা এবং আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ এর সশস্ত্র ক্যাডার।
৯ বছর ধরে চলা দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত মামলার দুই আসামি আলোময় চাকমা ও সোহেল চাকমাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় সোহেল চাকমা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে অপর আসামি আলোময় চাকমা পলাতক রয়েছেন।
সাজা প্রাপ্ত উপস্থিত আসামি সোহেল চাকমাকে সাজা ভোগের জন্য জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে অপর আসামি আলোময় চাকমা পলাতক থাকায় স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পন বা পুলিশ কর্তৃক ধৃত হওয়ার তারিখ হতে বিধি মোতাবেক তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ পুনরায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে।





