দশ বছর আগে টেস্টে র্যাংকিংয়ের এক নাম্বার দল ছিল পাকিস্তান। এক দশকের ব্যবধানে সে দলটিই এখন একেবারে তলানির সারিতে। পারফরম্যান্স বিবেচনায় সাদা পোশাকের ক্রিকেটে নিজেদের ইতিহাসের সর্বনিম্ন বিন্দুতে অবস্থান করছে দলটি।
সদ্য সমাপ্ত ইংল্যান্ড সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে পাকিস্তান। হারের চেয়েও বড় দুশ্চিন্তার বিষয় দলের মাঝে চলা অস্থিরতা। ইংল্যান্ড সফরে যাওয়া সদস্যদের প্রায় ৭ ক্রিকেটারকে সিরিজের মাঝে বাদ দেয়া হয়। অধিনায়কত্ব পরিবর্তন, উইকেট কিপারকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার পাশাপাশি কোচিং স্টাফেও হয়েছে রদবদল।
আরও পড়ুন:
এসবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে স্লো ওভার রেটের কারণে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাওয়া ১৬ পয়েন্টের মধ্যে ১১ পয়েন্ট কর্তন। যে কারণে ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে মেন ইন গ্রিনরা। এক কথায় মাঠ ও মাঠের বাইরে সবদিকেই যেন বিধ্বস্ত তারা।
পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় সমস্যা, দলে বিকল্প খেলোয়াড়ের ঘাটতি। ব্যাটিংয়ে মূল ভরসা বাবর আজমের ব্যাটে ৪ বছর নেই কোনো সেঞ্চুরি। ফর্ম হারিয়ে অধিনায়কত্ব থেকে বাদ পড়া সালমান আঘাই সফর শেষে ঘরোয়া ক্রিকেটে পেয়েছেন ট্রিপল সেঞ্চুরির দেখা। বোলিংয়েও একই চিত্র। আন্তর্জাতিক মানের বিকল্প না থাকায় পুরনো মুখদের বারবার সুযোগ দিলেও মিলছে না সাফল্য।
হতাশার মাঝেও আশার আলো দেখাচ্ছেন তরুণ আজান আওয়াইস, সৌদ শাকিল কিংবা শেষ ম্যাচে অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ। কিন্তু ভালো করতে প্রয়োজন ধারাবাহিকতা। বিচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স দিয়ে একদিকে যেমন ফল আসে না, অন্যদিকে দলের ভিত্তিও মজবুত হয় না। ঘরোয়া কাঠামো শক্তিশালী করার সঙ্গে বোর্ডের অস্থিরতায় লাগাম টানার বিকল্প নেই পাকিস্তানের সামনে। অন্যথায় দলটির জন্য অপেক্ষা করছে ইংল্যান্ড সফরের চেয়েও বড় বিপর্যয়।





