সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের আকছিনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন বিকেলে আকছিনা-কুল্লাবাড়ি মডার্ণ হাইস্কুলের শিক্ষিকা নুসরাত জাহান শান্তা স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছিলেন। পথে তার গতিরোধ করে জিন্নাহ কথা বলতে চান। এতে রাজি না হয়ে তিনি চলে যেতে চাইলে পিস্তল দেখিয়ে জোরপূর্বক তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেয়া হয় বলে অভিযোগ করেন শিক্ষিকা।
পরে কুল্লাবাড়ি জোড়া সেতুর কাছে পৌঁছালে শান্তা অটোরিকশা থেকে লাফিয়ে পড়েন। তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্ত জিন্নাহ ও অভিযোগকারী শিক্ষিকা একই গ্রামের বাসিন্দা।
তবে অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ। তার দাবি, ওই শিক্ষিকার সঙ্গে তার আগে থেকেই সম্পর্ক ছিলো। সম্প্রতি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। শিক্ষিকার রাগ ভাঙাতেই তার ইচ্ছায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তারা ঘুরতে বেরিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, শিক্ষিকা নুসরাত জাহান শান্তা জিন্নাহর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, পিস্তল দেখিয়ে তাকে অপহরণের উদ্দেশ্যেই অটোরিকশায় তোলা হয়েছিল। থানায় অভিযোগ দেয়ার পর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানান।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, ‘স্কুলশিক্ষিকা অপহরণচেষ্টার অভিযোগ করেছেন। তার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত চলছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





