আজ (শনিবার, ২৫ এপ্রিল) এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘নাহিদা বৃষ্টি নোবিপ্রবির অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৩তম ব্যাচের একজন মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থী ছিলেন। স্নাতক সম্পন্ন করার পর তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্র্রে পাড়ি জমান। তার এমন মৃত্যু আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তার এভাবে চলে যাওয়া আমাদের সবাইকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানায়। একইসঙ্গে বৃষ্টির এমন মৃত্যুতে জড়িতদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত আইনে কঠোর শাস্তি ও নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানাই।’
আরও পড়ুন:
শোকবার্তায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
উপাচার্য আরও বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টির সর্বশেষ অগ্রগতির নিয়মিত খোঁজখবর রাখছিলাম। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে আপডেট নিচ্ছিলাম। আমি আশাবাদী ছিলাম অচিরেই নাহিদা বৃষ্টির সন্ধান পাওয়া যাবে এবং তিনি সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায় আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। কিন্তু তার আর ফেরা হলো না।’
প্রসঙ্গত, গত ১৬ এপ্রিল ২০২৬ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ফ্লোরিডাতে পিএইচডি অধ্যয়নরত দুইজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী-জামিল লিমন ও নাহিদা বৃষ্টি নিখোঁজ হন।
সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা যায়, তারা উভয়েই মারা গেছেন। নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির পৈত্রিক বাড়ি ফরিদপুর জেলায়। নিহতের ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত এবং নোবিপ্রবির অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফতেহ নুর রোবেল বৃষ্টির মৃত্যুার খবর নিশ্চিত করেন।





