বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার নায়লা ইয়াসমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিভিন্ন অসন্তোষ ও ক্ষোভের কারণে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করলে জানা যাবে বলে তিনি জানান।
পদত্যাগকারীদের মধ্যে রয়েছেন ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী প্রক্টর মো. রাকিবুল আলম, সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান মো. সাবাব জুলফিকার, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা তনুজা ইয়াসমিন, প্রভোস্ট (ভারপ্রাপ্ত) মাজহারুল হক জুবায়েদ ও রোকসানা পারভীনসহ আরও অনেকে। এছাড়া সহকারী প্রক্টর ও হাউস টিউটরদের একটি অংশও পদত্যাগ করেছেন।
পদত্যাগকারী শিক্ষকরা তাদের বার্তায় জানিয়েছেন, তারা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবেন।
ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. রাকিবুল আলম বলেন, ‘কিছু কারণে আমি প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। তবে শিক্ষক হিসেবে সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকব।’
একইভাবে অন্য পদত্যাগকারী শিক্ষকরা ব্যক্তিগত ও অনিবার্য কারণের কথা উল্লেখ করে দায়িত্ব ছাড়ার কথা জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বার্তা দেননি, তারাও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
একযোগে এত সংখ্যক শিক্ষক দায়িত্ব ছাড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।





