বেশ কয়েক মাসের পরিচর্যা আর আধুনিক পদ্ধতিতে লালন-পালন করে কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছেন বগুড়ার খামারিরা। কোরবানি ঘিরে প্রস্তুত হয়েছে প্রায় সাড়ে সাত লাখ পশু।
খামারিদের দাবি, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে প্রাকৃতিক খাবার ব্যবহার করে গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। এছাড়া কেনাবেচার ভোগান্তি এড়াতে খামার থেকে কোরবানির পশু পৌঁছে দেয়া হচ্ছে নির্দিষ্ট গন্তব্যে। এতে ভোগান্তি কমার পাশাপাশি কেনা-বেচা বাড়ছে বলে জানান তারা।
কোনো প্রকার ভেজাল খাবার খাওয়ানো হয় না। এছাড়াও বিক্রি করার সময় সঠিক মূল্যে বাজারে বিক্রি করা হয় বলে জানান খামারিরা।
আরও পড়ুন
এরই মধ্যে বগুড়ায় বিভিন্ন পশুর হাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা। ক্রেতারা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা বেশি হলেও বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। এদিকে ছোট বড় সব ধরনের গরুর চাহিদা রয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
কোরবানি উপলক্ষে বগুড়া প্রাণিসম্পদ বিভাগ খামারগুলিতে তদারকি করছে। পাশাপাশি হাট বাজারে মেডিকেল টিম প্রস্তুত রেখেছে, যাতে কোনো রোগাক্রান্ত গোবাদি পশু বেচাকেনা না হয়।
বগুড়া সদর উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রায়হান বলেন, ‘উপজেলার প্রাণিসম্পদ বিভাগ অনেকগুলো উদ্যোগ নিয়েছে। যাতে করে নিরাপদ কুরবানির পশু পাওয়া যায়। এছাড়াও খামারিদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে।’
কোরবানি উপলক্ষে বগুড়ায় এ বছর ৫ হাজার ২০০ খামারে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ গরু প্রস্তুত রয়েছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে ২ লাখ ৯০ হাজার গরু অন্যত্র বিক্রি করা যাবে। খামারগুলোতে লাইভ ওজনে প্রতি কেজি গরু বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৫০০ থেকে ৫৮০ টাকা দরে।





