পাবনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে এডওয়ার্ড কলেজ ছাত্রদলের নেতাকে শোকজ!

ছাত্রদল নেতা আশরাফুল ইসলাম
রাজনীতি , এখন জনপদে
অপরাধ
1

‎পহেলা বৈশাখি উৎসব উপলক্ষে বসা কলেজ মাঠে বিভিন্ন অস্থায়ী দোকানে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রদল নেতা আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ প্রেক্ষিতে এরইমধ্যে তাকে শোকজ নোটিশ দিয়েছে কলেজ শাখা ছাত্রদল।

আজ (‎বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল) বিকেলে তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব চেয়ে এই নোটিশ দিয়েছেন কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস কাব্য।

‎অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলাম কলেজ শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক এবং কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। সে শামসুজ্জামান মুসলিম হলে আবাসিক শিক্ষার্থী।

‎অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে রুচি বৈশাখি উৎসব কনসার্টের আয়োজন করা হয়। কনসার্ট ঘিরে কলেজের মাঠে অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ দোকান বসে। সেইসব দোকান থেকে চাঁদা উত্তোলন করে আশরাফুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:

পরে সেই টাকা কলেজের এস এম হলের একটি রুমে ভাগবাটোয়ার সময় দু’পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়। পরে বিষয়টি ছাত্রদলেরই কর্মী-সমর্থকদের আলোচনায় আসে। চাঁদা চাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে শোকজ নোটিশ দিয়েছে শাখা ছাত্রদল।

‎নোটিশে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ শাখার নাম ব্যবহার করে আপনার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগের ভিত্তিতে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে না, এই মর্মে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিকট উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।

‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘সামনে এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্রদলের কমিটি গঠন হবে। তাই আমার বিপক্ষ গ্রুপ বিভিন্ন সিস্টেম করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেয়া শুরু করেছে। ভিডিও ছড়িয়েছে আমাদের অভ্যন্তরীণ লোকজন।’

আরও পড়ুন:

তিনি বলেন, ‘তিন থেকে চারশো দোকান বসেছিল, কোনো দোকানদার চাঁদা নেয়ার কথা বলতে পারবেন না। শুধু বলেছিলাম যে দোকান দিচ্ছেন, আমাদের ছেলেপেলেদের একটু খাওয়ায়েন আর কি। এর থেকে বেশি কিছু না। কেউ গোপনে ভিডিও করে ছড়িয়ে দিয়েছে। এগুলো দেখা ছাড়া কোনো উপায় নেই। কারণ জনে জনে তো প্রমাণ করতে পারব না।’

‎বিষয়টি নিয়ে এডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস কাব্য বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্তাধীন রেখেছি।’

কোনো ব্যক্তির অন্যায়ের দায় সংগঠন নিবে না বলে জানান তিনি।

এসএস