গাউস মোল্যা উপজেলার শেখর ইউনিয়নের রায়বর গ্রামের মৃত বশার মোল্যার ছেলে। তিনি পেশায় একজন পেঁয়াজ ব্যবসায়ী।
জানা যায়, গাউস মোল্যা প্রতি হাটের দিন সহস্রাইল বাজারে পেঁয়াজ কেনাবেচা করেন এবং সেখানে তার নিজস্ব গুদাম রয়েছে। মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে তিনি মোটরসাইকেলে বাড়ি থেকে সহস্রাইল বাজারের উদ্দেশে রওনা দেন। পথে ডোলভিটা এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে।
দুর্বৃত্তরা প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং মোটরসাইকেল থেকে ফেলে দেয়। এরপর হাতুড়ি দিয়ে তার দুই পায়ে আঘাত করে একাধিক স্থানে হাড় ভেঙে ফেলে।
আরও পড়ুন:
পরে তার কাছে থাকা পাঁচ লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়।
গাউস মোল্যার চাচাতো ভাই সজল মোল্যা জানান, সোমবার ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকা তুলে এবং বাড়িতে থাকা টাকা নিয়ে পেঁয়াজ কিনতে যাচ্ছিলেন গাউস মোল্যা। এলাকার দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে তাকে কুপিয়ে জখম করে তার কাছে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেয়।
আর পড়ুন:
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের চিকিৎসাধীন গাউজ মোল্লা বলেন, ‘এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে আমাকে মেরে ফেলার জন্য, হামলা চালিয়ে আমার কাছে ব্যবসায়িক কাজে থাকা পাঁচ লাখ টাকা সিনিয়ে নেয়। আমি ঘটনায় থানায় লিখিত কমপ্লেন দিয়েছি। প্রশাসনের কাছে দাবি হামলাকারিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হোক।’
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে, আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি দ্রুতই মামলা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।’





