কাস্টমস সূত্র জানায়, স্বর্ণ চোরাচালানের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি করছিলো প্রিভেন্টিভ টিম। ইমিগ্রেশন শেষ করে ব্যাগেজ বেল্ট-২ এলাকায় আসার পর আরমান উদ্দিন সিদ্দিক নামে ওই যাত্রীকে সন্দেহজনক মনে হলে তল্লাশি করা হয়।
একপর্যায়ে তার পায়ুপথে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় সাদা কসটেপে মোড়ানো তিনটি ডিম্বাকৃতির পেস্ট পাওয়া যায়। পরে পরীক্ষায় এগুলো স্বর্ণ বলে শনাক্ত করা হয়।
কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, তিনটি পেস্টের প্রতিটির ওজন প্রায় ৪৩০ গ্রাম করে। মোট ওজন ১ হাজার ২৯০ গ্রাম এবং স্বর্ণের বিশুদ্ধতা ২৪ ক্যারেট। স্বর্ণকারের প্রত্যয়ন অনুযায়ী, এসব পেস্ট পরিশোধন করলে আনুমানিক ১ কেজি স্বর্ণ পাওয়া যেতে পারে। জব্দ করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে ঢাকা কাস্টমস হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম ফৌজদারি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।





