আজ (রোববার, ২ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন বিধান অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলকারী ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার করদাতারা আয়কর রিটার্নের সঙ্গে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ (সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা) কর প্রণোদনা বা কর ছাড় পাবেন। তবে ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো কর প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না।
অন্যদিকে, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে আয়কর রিটার্নের সঙ্গে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩(২) অনুসারে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা ৩ হাজার টাকা, এই দুইয়ের মধ্যে যা বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর দিতে হবে। এছাড়া ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্নের সঙ্গে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা, এই দুইয়ের মধ্যে যা বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হবে।
আরও পড়ুন:
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন দাখিলে কর প্রণোদনা প্রদানের ফলে অধিক সংখ্যক করদাতা সময়মতো রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত হবেন, কর পরিপালনের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রম অধিকতর দক্ষ ও সুশৃঙ্খল হবে—এমন বিশ্বাস এনবিআরের।
উল্লেখ্য, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গত ২২ জুলাই থেকে ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ই-রিটার্ন সেবা চালু করেছে। করদাতারা এনবিআরের (www.etaxnbr.gov.bd) সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরে বসেই সহজে আয়কর রিটার্ন দাখিল এবং ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে কর পরিশোধ করতে পারবেন।
এনবিআর জানায়, এই সিস্টেমের মাধ্যমে সঠিক তথ্য প্রদান করে নির্ভুলভাবে রিটার্ন দাখিলের পর তাৎক্ষণিকভাবে প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও আয়কর সনদ সংগ্রহ করা সম্ভব। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হলে তা সমাধানের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাগণ সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত অফিস চলাকালীন কল সেন্টার (০৯৬৪৩৭১৭১৭১) এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবেন।





