শনিবার সকালে গভর্নর এ সংক্রান্ত এক আদেশে স্বাক্ষর করে দুর্যোগের আওতা পুরো রাজধানীতে ছড়িয়ে দেন। এর আগে কেবল নোং চোক, সুয়ান লুয়াং ও খান না ইয়াও জেলা এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। ব্যাংকক মেট্রোপলিটন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিএমএ) জানিয়েছে, এই ঘোষণার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দ্রুত ও সমন্বিতভাবে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় শনিবার সকাল ৯টার পরপরই বাসিন্দাদের মোবাইলে জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। এতে জানানো হয়, খালের পানির সমতল ইতিমধ্যেই বিপজ্জনক স্তরে পৌঁছেছে এবং তা আরও বাড়তে পারে। দেশটির আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, থাইল্যান্ডের নিম্ন মধ্যাঞ্চল ও ব্যাংকক সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হওয়া শক্তিশালী নিম্নচাপ এবং আন্দামান সাগরের মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেই এই বর্ষণ হচ্ছে। আগামী রোববার পর্যন্ত সারা দেশে এ বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাত বজায় থাকতে পারে।
বিএমএর পানি নিষ্কাশন বিভাগ জানায়, সেপ্টেম্বরের ১ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে ব্যাংককে ৪৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা ১৯৯১ থেকে ২০২০ সালের গড় ২৬৯ মিলিমিটারের চেয়ে অনেক বেশি। শহরের সেচ পাম্পগুলো বর্তমানে পূর্ণ সক্ষমতায় চালু রাখা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় গভর্নর চাদচার্ট সিটিপুন্ট বলেন, ‘বৃষ্টি থামলে পানি পুরোপুরি নিষ্কাশন করতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে।’ ২০১১ সালের মতো বড় ধরনের কোনো বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই জানিয়ে তিনি বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন। যদিও অনেক সুপারমার্কেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটার হিড়িক পড়ে যায়।
এদিকে জমা পানি সরাতে থাইল্যান্ডের চাও ফ্রায়া বাঁধ থেকে পানি ছাড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে প্রতি সেকেন্ডে ১ হাজার ৯৫০ ঘনমিটার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। দেশটির অন্তত ২০টি প্রদেশে বর্তমানে বন্যার খবর পাওয়া গেছে।





