কয়েকদিন পরই কোরবানির ঈদ। কুষ্টিয়ার চামড়া পট্টিতে ইতোমধ্যে আড়ৎদারদের ব্যস্ততা বেড়েছে কয়েকগুণ। এরই মধ্যে মোকামের ঘর খালি ও ধোয়া-মোছার কাজ শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা। চামড়া সংরক্ষণে লবণের দাম বৃদ্ধির পরও প্রয়োজন অনুযায়ী লবণও সংগ্রহ করছেন তারা। তবে ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে বকেয়া টাকা না পাওয়ায় চামড়া সংগ্রহ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় পড়েছেন। এতে হতাশার কথাই শুনিয়েছেন এখানকার ব্যবসায়ীরা। তাই এ ব্যবসা বাঁচিয়ে রাখতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এখানকার ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের দাবি, ট্যানারি মালিকরা বকেয়া টাকা না দিলে চামড়া সংগ্রহ করতে বেশ অসুবিধায় পড়বেন তারা। এতে চামড়া সংগ্রহে নগদ অর্থ সংকটের আশঙ্কাও করছেন ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন
ট্যানারি ওয়ালাদের কাছে অনেকের টাকা আটকে আছে, যার ফলে ব্যবসায় ক্ষতির মুখে পরতে হচ্ছে। এছাড়া লবণের দাম বাড়ায় চাপে আছেন বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
কুষ্টিয়া চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য আনসার আলী বলেন, ‘ট্যানারি শিল্পওয়ালারা ২০১৫, ১৬, ১৭ সালের যে টাকাগুলো আটকায় রাখছে, এ টাকাগুলো যদি দেয়ার ব্যবস্থা করেন, কয়েকদিন পর যে কোরবানির ঈদ, এ ঈদে আমরা প্রচুর পরিমাণে আমরা চামড়া সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ করতে পারব। অন্যথায়, যদি আমাদের এ পুরাতন টাকা দিতে অনীহা বা যদি না দেয়, তাইলে এ বৃহত্তর মোকামের চামড়া শিল্পের ধস নামবে।’
কুষ্টিয়া চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির দেয়া তথ্যমতে, এ জেলায় প্রায় দুইশো আড়ৎতে ঈদের চামড়া সংগ্রহ করবে। এতে প্রায় ১৫ কোটি টাকার ব্যবসা বাণিজ্য হবে বলে জানিয়েছেন তারা।





