কক্সবাজার সদর হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রতিদিনই হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু ভর্তি হচ্ছে। শুরুতে জ্বর, কাশি ও সর্দির মতো সাধারণ লক্ষণ দেখা দিলেও অনেক শিশুর অবস্থাই অল্প সময়ের মধ্যে গুরুতর হয়ে পড়ছে। এতে হাসপাতালে রোগীর চাপও ক্রমাগত বাড়ছে।
সন্তানকে বাঁচাতে ছুটে আসা একাধিক অভিভাবক জানান, প্রথমে তারা সাধারণ অসুখ ভেবেছিলেন, কিন্তু ধীরে ধীরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে পড়েন।
আরও পড়ুন:
মেডিকেল অফিসার ডা. শান্তনু ঘোষ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে ৭৯ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন— রামু উপজেলার মিজানুর রহমানের ৮ মাস বয়সী পুত্র সন্তান আতিকুর রহমান এবং একই এলাকার জাবেদের ৬ মাস বয়সী কন্যা সন্তান ওয়াজিফা।
এর আগে, ৯ মাস বয়সী এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যুও ঘটেছিলো। প্রতিটি মৃত্যুই রেখে যাচ্ছে একটি পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার মতো বেদনা।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩ মে পর্যন্ত জেলায় মোট ১ হাজার ৪৫২ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ২৯ মার্চ থেকে ৩ মে পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৯৯ শিশু।





