মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব, কুয়েতে ম্লান ঈদ আনন্দ

কুয়েত প্রবাসীদের ঈদ আনন্দ
প্রবাস
0

মধ্যপ্রাচ্যের ঈদের আনন্দ এবার অনেকটা মলিন। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আগেই নিরাপত্তাজনিত কারণে স্থগিত ঘোষণা হয় সামাজিক অনুষ্ঠান ও গণজমায়েত। তবুও ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ছুটির দিনগুলোতে কুয়েতের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে বিক্ষিপ্তভাবে মিলিত হচ্ছেন প্রবাসীরা। সময় পার করছেন খোশগল্প-আড্ডায়।

কর্মব্যস্ততা থাকায় বছরের অন্য সময় প্রবাসীরা একসঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান না। কেবল ঈদের ছুটিতেই জমে ওঠে আনন্দ আয়োজন। তবে এবারের ঈদে সেই সুযোগও সীমিত। মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের ঈদ এবার অনেকটাই ব্যতিক্রম।

উপসাগরীয় অঞ্চল কুয়েতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের এবার যেতে হয়েছে ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যদিয়ে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাজনিত কারণে ঈদের আগেই সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজন, গণজমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয় দেশটির সরকার। তবুও ঈদের ছুটিতে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ছোট পরিসরে সমাবেত হন তারা। কর্মব্যস্ততার কারণে পরিবার বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ঈদ না করার কথা জানা প্রবাসীরা।

আরও পড়ুন:

সাইরেনের সর্তকতায় অনেকটা স্থবির এখন ব্যবসা বাণিজ্য। একদিকে মন্দাবস্থা অন্যদিকে কাজ হারানোর শঙ্কা জেঁকে বসা প্রবাসীদের ঈদের আনন্দে ভাটা পড়েছে। এসবের মধ্যেও সরকারি সতর্কতা ও বিধিনিষেধ মেনে দর্শনীয় স্থানে ঘুরতে বের হয়েছেন দেশটির মালিয়া, মেরিনা বিচ, শার্ক টাওয়ার অঞ্চলের নাগরিকরা।

প্রবাসীদের অনেকে ঈদে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি রাখলেও স্বাভাবিক ফ্লাইট না থাকায় ফেরা হয়নি তাদের। টিকিট করে বাড়ি ফিরতে না পারা প্রবাসীর সংখ্যাও কম নয়।

প্রবাসী একজন বলেন, ‘দেশে গিয়ে ঈদ করার জন্য টিকিট কিনেছি, কিন্তু যুদ্ধের জন্য দেশে যেতে পারিনি।’

প্রবাসীরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এ সংঘাত দ্রুত সময়ে কেটে গেলে তবেই স্বাভাবিক জীবনধারায় ফিরবেন তারা। ঈদের আনন্দ কিংবা বিনোদনের অবারিত সুযোগও তৈরি হবে।

জেআর