ঢাকের তালে তালে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রবেশ করে, কুচকাওয়াজে অংশ নেয়া দলগুলো। সুশৃঙ্খল পদচারণা আর নিখুঁত সমন্বয়ে শুরু হয় মহড়া।
ঘোড়ায় চড়ে আগমন ঘটে ৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসির। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘটলে যেভাবে অভ্যর্থনা জানানো হবে তার মহড়া হয়।
জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় সবাই দাঁড়িয়ে জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।
জাতীয় পতাকাবাহী দলকে সামনে রেখে একে একে রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানিয়ে প্যারেড গ্রাউন্ড ত্যাগ করে বিভিন্ন বাহিনীর কন্টিনজেন্ট।
এরপর শুরু হয় প্যারাস্যুটিং প্রদর্শনী। আকাশের উচ্চতা থেকে নিজ নিজ বাহিনীর পতাকা নিয়ে অবতরণ করেন প্যারাট্রুপাররা—যা দর্শকদের মধ্যে বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করে।
প্রতিবছরের মতো এবারও কুচকাওয়াজে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম এবং বাহিনীগুলোর সমন্বিত দক্ষতা তুলে ধরা হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে যেমন সাঁজোয়া যান, যুদ্ধবিমান ও বিশেষ কৌশলগত প্রদর্শনী নজর কেড়েছে—এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের মূল আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় এই অনুষ্ঠান সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে।





