বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক ডলি বেগম সম্প্রতি কানাডার ফেডারেল উপনির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছেন। তিনি টরন্টোর স্কারবরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। পার্লামেন্ট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর তিনি বিভিন্ন কমিউনিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর জোর দিচ্ছেন।
নবনির্বাচিত এই নেত্রী কর্মসংস্থান, সাশ্রয়ী বাসস্থান এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। পাশাপাশি অভিবাসী ও নতুন প্রজন্মের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডলি বেগমের এই বিজয় কানাডার পার্লামেন্টে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব ধরে রাখার নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন:
মৌলভীবাজার জেলার কন্যা ডলি বেগম কানাডার এমপি হওয়ায় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে প্রত্যাশা আরও বেড়েছে। তার মাধ্যমে অভিবাসী ও অভিবাসনপ্রত্যাশী বাঙালিদের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো জোরালোভাবে সামনে আসবে বলে মনে করছেন অনেকে।
কানাডা প্রবাসী গবেষক অধ্যাপক মো. আসিউজ্জামান বলেন, ‘তিনি আমাদের কমিউনিটিতে খুবই সক্রিয়। আগে কানাডায় ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় অনেক ভাষায় পরীক্ষা দেওয়া গেলেও বাংলায় সুযোগ ছিল না। তার উদ্যোগের পর এখন বাংলাতেও পরীক্ষা দেয়া যায়।’
স্থানীয় বিভিন্ন ইস্যুর সমাধান থেকে শুরু করে কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে কার্যকর ভূমিকা রাখা—সব ক্ষেত্রেই এখন ডলি বেগমের দিকে নজর থাকবে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তিনি বাঙালি কমিউনিটির উন্নয়নে কতটা অবদান রাখতে পারেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।





