
অভিবাসন দমনে কড়াকড়িতে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকার মধ্যে গত এক বছরে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ভিসা বাতিল করেছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, জালিয়াতি, সহিংসতায় উসকানি, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি—এ ধরনের বিভিন্ন কারণে এসব ভিসা বাতিল করা হয়েছে। গতকাল (সোমবার, ১০ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

‘আদালতের রায়ের পরিণতি আগেই আঁচ করা উচিত ছিল স্পেনের’—মরক্কো
স্পেনের একটি আদালতের রায় অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর মূল প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিয়েছে। এর জেরেই গত সপ্তাহে উত্তর মরক্কোর সিউটা ছিটমহলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢল নেমেছে বলে অভিযোগ করেছেন মরক্কোর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তার মতে, এই রায়ের সম্ভাব্য পরিণতি স্পেনের কর্তৃপক্ষের আগেই আঁচ করা উচিত ছিল। স্ট্রেইট টাইমের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

অভিবাসী ঠেকাতে ১৬০০ ফুট ভাসমান প্রতিবন্ধক বসালো স্পেন
অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আকস্মিক ঢলের পর সমুদ্র নিরাপত্তায় মরোক্কো ও সেউতার মধ্যবর্তী স্থানে ১ হাজার ৬০০ ফুট ভাসমান ব্যারিয়ার বসিয়েছে স্পেন সরকার। এদিকে, এখন পর্যন্ত ৪৮ হাজারেরও বেশি অভিবাসী মরোক্কোতে ফেরত গেলেও সেউতার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি বলে উদ্বেগ জানিয়েছে নগর প্রশাসন। আর অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত মরক্কোয় ফেরত যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন সাগর পাড়ি দেয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীরা।

অভিবাসন সংকটে স্পেন, ট্রাম্পের দায়—উদারপন্থী অভিবাসন
মরক্কো থেকে রাতারাতি ৬০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী স্পেনের সেউতায় অনুপ্রবেশ করলেও স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে গেছেন ৪৮ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে দুর্গম পথ পাড়ি দিতে দিয়ে প্রাণ গেছে ৫৭ জনের। অভিবাসীদের এই অনুপ্রবেশকে স্পেনের অখণ্ডতার লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো স্যানচেজ। আর ট্রাম্পের মতে, অতি উদারপন্থী অভিবাসন আইনের কারণেই এই বিপর্যয় দেখলো স্পেন। যদিও ফিরে যাওয়ার সময় দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও কাজের সংকট নিয়ে অভিযোগ করেছেন মরক্কোর অভিবাসীরা।

গুজবের ফাঁদে ৪৮ ঘণ্টায় স্পেনে ঢুকলো ৬০ হাজার অভিবাসী
মানব পাচারকারীদের গুজবের ফাঁদে পড়ে স্পেনের সেউতায় জড়ো হয়েছেন হাজারো অভিবাসন প্রত্যাশী। সমুদ্র পথে আটক অভিবাসীদের মরক্কোতে ফেরত পাঠানো যাবে না, স্পেনের সুপ্রিম কোর্ট এমন রায় দিয়েছে বলে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালায় মানব পাচারকারী চক্র। আর এই প্রলোভনে ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে স্পেনে ঢুকে পড়েন প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী।

অভিবাসন নিয়ে দেশে প্রথম চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা ‘হাউ ডু ইউ ডু’
বাংলাদেশের প্রথম অভিবাসন, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান বিষয়ক চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা ও উৎসব ‘মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্টের ২০২৬’ জাতীয় বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে আবির ফেরদৌস মুখরের ‘হাউ ডু ইউ ডু’। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিভাগে সেরা হয়েছে তুরস্কের পরিচালক আদার বারান ডেগারের ‘দ্য কোল্ড’।

শিশু কল্যাণ কর্মসূচিকে ‘অস্ত্র’ বানিয়ে অভিবাসী তাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন
রয়টার্সের প্রতিবেদন
যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে একা এসে পৌঁছেছিল অরোরার ৬ বছর বয়সী মেয়ে। এরপর ছয় মাসের বেশি সময় সে কাটিয়েছে অভিবাসী শিশুদের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে। এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত মা অরোরা মেয়েকে ছাড়িয়ে আনতে প্রাণপণ চেষ্টা চালান। অবশেষে গত মার্চের শেষদিকে মা ও মেয়ের পুনর্মিলন হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

২৫০ বছরে ৮ গুণ বেড়েছে আমেরিকা, এখন কোন পথে?
ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণার পর ২৫০ বছরে আটলান্টিক উপকূলের বিক্ষিপ্ত কিছু বসতি থেকে আজকের বিশ্বশক্তি হিসেবে গড়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই যাত্রায় দেশটির ভূখণ্ড, জনসংখ্যা ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন পররাষ্ট্র ও অভিবাসন নীতি ইতিহাসের গতিকে যেন উল্টো পথে ঘোরাতে চাইছে। বিবিসির বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ-ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ প্রকল্প; নিশ্চিত হচ্ছে নিরাপদ অভিবাসন
বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে দক্ষ জনশক্তির নৈতিক, নিয়মিত এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পরিচালিত ‘সাপোর্টিং এ ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ উইথ বাংলাদেশ’ প্রকল্পটি সফলতার সঙ্গে দ্বিতীয় বছর পূর্ণ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কারিগরি সহায়তায় তিন মিলিয়ন ইউরো বাজেটের এই প্রকল্পটি ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকল্পের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে এর সামগ্রিক অগ্রগতি ও সফলতার বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ছাড়ার ১০ বছর: ব্রেক্সিট সমর্থকদের চোখে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি
যুক্তরাজ্যের জনমত জরিপগুলোতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে অধিকাংশ ব্রিটিশ নাগরিকের মধ্যে অনুশোচনা দেখা গেলেও, একটি বড় অংশ এখনো মনে করেন ১০ বছর আগের সেই সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। তাদের মতে, ব্রিটেন হয়তো তার কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি, তবে ইইউ ত্যাগ করা ছিল একটি যৌক্তিক পদক্ষেপ। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

অভিবাসন বিতর্ক: অর্থনীতি ও ইইউ সম্পর্ককে প্রাধান্য দিয়ে সুইস গণভোটে ‘না’ জয়ী
সুইজারল্যান্ডের জনসংখ্যা ১০ মিলিয়নে (এক কোটি) আটকে রাখার একটি ডানপন্থি প্রস্তাব গণভোটে বাতিল হয়ে গেছে। এসআরএফ-এর করা প্রজেকশন অনুযায়ী, ৫৫ শতাংশ ভোটার এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন, আর পক্ষে ভোট পড়েছে ৪৫ শতাংশ। অভিবাসনের কারণে সরকারি সেবা ও ভাড়ার ওপর চাপের চেয়ে ভোটাররা মূলত অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমাবদ্ধ করতে সুইজারল্যান্ডে গণভোট
একটি দেশ কি তার জনসংখ্যার ওপর একটি নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দিতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই আগামীকাল (রোববার, ১৪ জুন) ব্যালট বাক্সে রায় দিবেন সুইজারল্যান্ডের নাগরিকেরা। দেশটির জনসংখ্যা ১ কোটিতে (১০ মিলিয়ন) সীমাবদ্ধ করার একটি প্রস্তাবের ওপর এই গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ডানপন্থি ‘সুইস পিপলস পার্টি’ (এসভিপি) এই প্রস্তাবের প্রধান উদ্যোক্তা। তারা একে একটি ‘সাসটেইনেবিলিটি ইনিশিয়েটিভ’ বা টেকসই উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করছে, যার লক্ষ্য আবাসন, সরকারি সেবা এবং পরিবেশের ওপর চাপ কমানো। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।