অবৈধ প্রবাসীদের জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগ দিচ্ছে লেবানন সরকার

দেশে ফেরার অপেক্ষায় অবৈধ প্রবাসীরা
প্রবাস
0

আকামাবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ প্রবাসীদের জন্য জরিমানা মওকুফ করে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার সুযোগ দিয়েছেন লেবানন সরকার। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিজ দেশে ফিরতে দূতাবাসে নিবন্ধন শুরু করেছেন দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীরা। প্রথম দিনেই নারী, পুরুষ ও শিশু মিলিয়ে তিন শতাধিক প্রবাসী নিবন্ধন করেছেন। দেশে ফেরার সুযোগ পেয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশিরা।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন লেবানন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এর মধ্যেই বৈধ কাগজপত্রবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ আকামাধারীদের জন্য বিশেষ সুযোগ ঘোষণা করেছে লেবানন সরকার। জরিমানা ছাড়াই স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার এ সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেক প্রবাসী।

প্রথম দিন সকাল ৯টার পর বৈরুতে দূতাবাসের হলরুমে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন কার্যক্রম। এর আগেই দূতাবাসের সামনে জড়ো হন বাংলাদেশে ফিরতে আগ্রহীরা। প্রথমে নারী ও শিশুদের আবেদন গ্রহণ করা হয়, পরে পুরুষদের আবেদন নেয়া হয়। নির্ধারিত ফরম পূরণ করে লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন জমা দেন তারা। দীর্ঘদিন কাজ না থাকা ও আকামা শেষ হওয়ায় অবৈধ হয়ে যাওয়ার ফলে দেশে চলে আসতে হচ্ছে বলে জানান প্রবাসীরা।

আরও পড়ুন

দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিন বিকেল পর্যন্ত মোট ৩০৬ জন প্রবাসী দেশে ফেরার জন্য আবেদন করেছেন। এছাড়া আজ (বৃহস্পতিবার, ১৪ মে) থেকে দ্বিতীয় ধাপে আবারও নতুন করে নাম নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হবে।

লেবানন বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন বলেন, ‘কোনো জরিমানা থাকার ফলে এ প্রক্রিয়াটি প্রবাসীদের জন্য অনেক সহজ হয়েছে। অনেক কারণে তারা কাগজ পত্র করতে পারেনি। বর্তমানে লেবানন সরকার তাদের জন্য এ সুযোগটি করে দিয়েছে আর বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমেই করা হবে।’

নিবন্ধনের পর যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অনিশ্চয়তায় থাকা অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি এখন দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফেরার অপেক্ষায়। স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার এ কার্যক্রম প্রবাসীদের মধ্যে স্বস্তি তৈরি করলেও দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার দিকেই এখন সবার নজর।

জেআর