অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম. তালহা। পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় রাষ্ট্রদূত ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের অবদান স্মরণ করে জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদানের প্রশংসা করেন এবং ফ্রান্সে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তাদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের অবদানের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং বাক্ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, ‘ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ মূলমন্ত্রে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জাতীয় ঐক্য সুসংহত করা এখন সময়ের দাবি।’
আলোচনা পর্বে ফ্রান্সের বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও জাতীয় জীবনে এ দিবসের গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য দেন।





