অ্যানথ্রোপিকের থ্রেট রিপোর্টে বলা হয়, উত্তর ইয়েমেনে তাদের এআই মডেল ক্লডকে মানব সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে রকেট এবং দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের গাইডেন্স ও ফ্লাইট-কন্ট্রোল সফটওয়্যার তৈরির চেষ্টা চালানো হয়। এআই মডেলটির অভ্যন্তরীণ সুরক্ষাব্যবস্থা ফাঁকি দিতে একাধিক সেশনে কাজগুলো ভাগ করে পরিচালনা করেছিল একটি চক্র। বিষয়টি ধরা পড়ার পর সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এছাড়া প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, রাশিয়া ও চীন-সংযুক্ত কিছু দল এই ক্লড এআই ব্যবহার করে ইউক্রেন, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন কূটনৈতিক ও সরকারি নেটওয়ার্কে বড় ধরনের সাইবার হামলা পরিচালনা করেছে। ইরান-সংযুক্ত কয়েকটি দল ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) মনস্তাত্ত্বিক প্রচারণায় এটি ব্যবহারের চেষ্টা করেছিল বলেও জানায় অ্যানথ্রোপিক।
সাম্প্রতিক এসব ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন এআই প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ গবেষকদের মধ্যেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাবেক গবেষক জ্যাকব কক্সন পদত্যাগ করে সতর্ক করে বলেছেন যে এআই প্রতিযোগিতা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠলে তা মানবজাতির জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি করবে।
যদিও আগে থেকেই স্বায়ত্তশাসিত মারণাস্ত্র তৈরিতে প্রযুক্তি ব্যবহারে বাধানিষেধ রাখা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের সঙ্গে অ্যানথ্রোপিকের আইনি বিরোধ চলছিল। তবে পেন্টাগনের ব্ল্যাকলিস্ট সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে জিতে নতুন করে সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করছে প্রতিষ্ঠানটি।





