প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, এ চুক্তির আওতায় রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম বোল্ট ইউরোপ মহাদেশ জুড়ে লুসিডের মিডসাইজ প্ল্যাটফর্মভিত্তিক অন্তত ২৫ হাজার স্বয়ংক্রিয় বা স্বচালিত গাড়ি নামাবে।
বোল্টের লক্ষ্য ২০৩৫ সালের মধ্যে তাদের প্ল্যাটফর্মে ১ লাখ স্বচালিত গাড়ি যুক্ত করা। তবে নির্দিষ্টভাবে এ রোবোট্যাক্সিগুলো কবে থেকে চালু হবে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
লুসিডের এ বহরের মালিকানা ও পরিচালনা থাকবে বোল্টের হাতে। গাড়িটি তৈরি ও উন্নয়নের জন্য কোম্পানি দুটি যৌথভাবে কাজ করবে।
ধারণা করা হচ্ছে, এ রোবোট্যাক্সিতে এনভিডিয়ার ‘হাইপেরিয়ন’ স্বচালিত গাড়ি আর্কিটেকচার ব্যবহার করা হবে। এটিকে লেভেল-৪ অটোমেশনের উপযোগী করে ডিজাইন করা হচ্ছে, যার অর্থ গাড়িগুলো একটি নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে কোনো মানব চালক ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে পারবে।
আরও পড়ুন:
চলতি বছরের শুরুর দিকে লুসিড তাদের মিডসাইজ প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি দুটি আসনবিশিষ্ট একটি রোবোট্যাক্সির প্রোটোটাইপ উন্মোচন করে। তাদের বিদ্যমান মডেলগুলোর তুলনায় অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী মূল্যে যানবাহন তৈরির অংশ হিসেবে এ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে।
তবে সম্প্রতি লুসিড তাদের মিডসাইজ প্ল্যাটফর্মের প্রথম ইভি ‘কসমস এসইউভি’-র বাজারজাতকরণ পিছিয়ে ২০২৭ সালের শুরুর দিকে নির্ধারণ করেছে। কর্মীবাহিনীর প্রায় ১৮ শতাংশ ছাঁটাইয়ের খবর জানানোর কয়েক মাসের মধ্যেই তারা গাড়ি চালুর এ বিলম্বের কথা জানায়।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও লুসিডের সঙ্গে উবার ও নুরোর একটি রোবোট্যাক্সি অংশীদারত্ব রয়েছে। সেখানে উবারের পরিকল্পনা রয়েছে মিডসাইজ যানবাহন ও গ্র্যাভিটি এসইউভি মডেলসহ লুসিডের তৈরি ৩৫ হাজার রোবোট্যাক্সি নামানোর।





