খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সিদ্ধান্তের ফলে বৈশ্বিক পর্যায়ে রাউটারের বাজার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে আগে যারা রাউটার কিনেছেন বা যেগুলো বিক্রির জন্য আগেই এসেছে সেগুলোর ওপর এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে কোনো রাউটার আর বিক্রির জন্য এফসিসির অনুমদতি পাবে না। মূলত অন্য দেশের তৈরি যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করার জন্য এফসিসির অনুমতির প্রয়োজন হয়।
এফসিসি হঠাৎ কেন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতেই এ সিদ্ধান্ত। এফসিসির মতে, বাসা ও অফিসে ব্যবহৃত ছোট রাউটার সাইবার আক্রমণের জন্য সবথেকে সহজ লক্ষ্যবস্তু।
প্রযুক্তিবিদরা জানান, সাধারণত গ্রাহক পর্যায়ে রাউটারের সফটওয়্যার ভার্সন আপডেট করার হার কম। এর ফলে রাউটার ব্যবহার করে সাইবার হামলা চালানো সহজ হয়। বিদেশি কোম্পানির রাউটার বিক্রি বন্ধের কারণ হিসেবে এফসিসি সাম্প্রতিক কিছু সাইবার হামলার তথ্যও তুলে ধরেছে। এছাড়াও হামলায় সম্পৃক্ত ভোল্ট, ফ্ল্যাক্স ও সল্ট টাইফুন গ্রুপের নামও উঠে এসেছে।
রাউটার নির্মাতা কোম্পানি টিপি-লিংকের এক মুখপাত্র জানান, এ পদক্ষেপের কারণে পুরো খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।





