ইউক্রেন সীমান্তবর্তী পোল্যান্ডের বিমানবন্দরগুলোতে সব কার্যক্রম বন্ধ

লাবলিন বিমানবন্দর
বিদেশে এখন
0

রুশ হামলা সতর্কতায় ইউক্রেন সীমান্তবর্তী পোল্যান্ডের দুটি শহরের বিমানবন্দরগুলোতে সব রকম কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। আকাশসীমায় মহড়া চালিয়েছে দেশটির সামরিক বিমানবাহিনী। এদিকে আবুধাবিতে দুইদিনব্যাপী ত্রিপাক্ষিক বৈঠক শেষে ভালো কিছু হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্র আগামী মার্চের মধ্যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি শান্তিচুক্তি সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রয়টার্স।

রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে একদিকে চলছে শান্তি আলোচনা, আসছে না কোনো সমাধান। অন্যদিকে চলছে সংঘর্ষ। রুশ হামলায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো।

এমন পরিস্থিতিতে রুশ হামলার সতর্কতায় ইউক্রেন সীমান্তবর্তী পোল্যান্ডের দুটি শহর জেঝো এবং লাবলিনের বিমানবন্দরগুলোতে সবরকম কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। মহড়া চালিয়েছে পোল্যান্ডের আকাশসীমা রক্ষায় এটি সতর্কতামূলক মহড়া বলে দাবি সেনাবাহিনীর।

এদিকে ইউক্রেন তার ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি অবকাঠামোর মেরামত ত্বরান্বিত করছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও পর্যালোচনা চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, সকল সিদ্ধান্ত যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করতে হবে। জ্বালানি খাতের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি প্রযোজ্য। মেরামত বা সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য সপ্তাহ বা মাস সময় নেই। অনেক কাজ সক্রিয়ভাবে ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।

এদিকে আবুধাবিতে দুইদিনব্যাপী ত্রিপাক্ষিক বৈঠক শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। ভালো কিছু হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে আমাদের খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। কিছু একটা হতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:

তবে অমীমাংসিত শান্তি আলোচনা নিয়ে নতুন করে ত্রিপাক্ষিক কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র আগামী মার্চের মধ্যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি শান্তিচুক্তি সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রয়টার্স। তবে ভূখণ্ড সংক্রান্ত বড় মতবিরোধের কারণে এই সময়সীমা বাস্তবায়ন কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, কোনো চুক্তি হলে তা ইউক্রেনে গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে।

ইউক্রেন চায় ভোটের সময় যুদ্ধবিরতি ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তা। অন্যদিকে রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, শান্তি আলোচনার বড় বাধা হলো ডনবাস অঞ্চলের নিয়ন্ত্রন। একদিকে রাশিয়া পুরো অঞ্চল দাবি করছে, অন্যদিকে যা ইউক্রেনের কাছে অগ্রহণযোগ্য। এদিকে জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও রয়েছে বিরোধ। বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার দখলে।

এদিকে ইউরোপীয় কমিশন রাশিয়ার বিরুদ্ধে ২০তম নিষেধাজ্ঞার প্যাকেজ প্রস্তাব করেছে।

ইএ