আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস, কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ডের বরাতে জানিয়েছে, ইরানের জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সম্পদে আঘাত হানা হলে এ অঞ্চলে এমন তেল কোম্পানিগুলোর সব তেল, অর্থনৈতিক ও জ্বালানি স্থাপনা—যেগুলো আংশিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে—‘অবিলম্বে ধ্বংস করে ছাইয়ে পরিণত করা হবে’।
সামরিক স্থাপনায় হামলার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দেন, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে হস্তক্ষেপ অব্যাহত রাখে, তবে দ্বীপটির ইরানি তেল স্থাপনাগুলোতে আরও হামলা চালানো হবে। খার্গ দ্বীপ ইরানের মূল ভূখণ্ডের উপকূলের বাইরে, পারস্য উপসাগরের গভীরে অবস্থিত। সেখানে শেষ হওয়া তেল পাইপলাইনগুলো দিয়ে ইরানের জ্বালানি রপ্তানির বিপুল অংশ পরিচালিত হয়, যা দেশটির অর্থনীতির জন্য এ দ্বীপটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
আরও পড়ুন:
ফারস আলাদাভাবে জানিয়েছে, ১৫টির বেশি বিস্ফোরণে দ্বীপটি কেঁপে ওঠে এবং আকাশে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। সংস্থাটি বলেছে, হামলার লক্ষ্য ছিল দ্বীপটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, একটি নৌঘাঁটি, বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার এবং একটি হেলিকপ্টার হ্যাঙ্গার। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো হয়নি।
ইসলামি প্রজাতন্ত্রের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভে আঘাত হানার মার্কিন হুমকি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের যুদ্ধে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। যুদ্ধ এখন পঞ্চদশ দিনে পড়েছে। শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, যত দিন প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্র এ অভিযান চালিয়ে যাবে। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ অভিযান ‘নির্ধারিত সময়সূচির তুলনায় অনেক এগিয়ে’ আছে।
তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, ‘খুব শিগগিরই’ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী এসকর্ট করা শুরু করবে।





