নভোচারীদের ব্যায়ামে হাই-ফ্রিকোয়েন্সি যন্ত্র আবিষ্কার

নভোচারীদের ব্যায়ামে হাই-ফ্রিকোয়েন্সি যন্ত্র আবিষ্কার
বিদেশে এখন
0

মহাকাশযানে নভোচারীদের ব্যায়ামকে সাবলীল করতে হাই-ফ্রিকোয়েন্সি ইমপালস ফর মাইক্রোগ্র্যাভিটি নামে একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেছে ব্রিটেনের প্রতিষ্ঠান ফিজিক্যাল মাইন্ড লন্ডন। উদ্ভাবক জানান, এর মাধ্যমে শূন্য মাধ্যাকর্ষণেও একজন বারবার লাফ দিতে সক্ষম হবে এবং এটি তাৎক্ষণিকভাবে হাড়, পেশী ও হৃদযন্ত্র গঠনে সহায়ক হবে। যন্ত্রটিকে আরও কার্যকরী করতে গবেষণা চালাচ্ছে বিজ্ঞানীরা।

সুস্থ জীবনের জন্য শুধু খাবার নয়, প্রয়োজন পর্যাপ্ত ব্যায়ামেরও। আর নভোচারীদের মহাকাশ অভিযানে ব্যায়াম অপরিহার্য হিসেবে গণ্য হয়। কেননা মাইক্রোগ্র্যাভিটিতে পেশী, হাড় ও কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমকে দুর্বল করে ফেলে।

তাইতো মহাকাশযানে ব্যায়ামের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে ও সাবলীল করতে হাই-ফ্রিকোয়েন্সি ইমপালস ফর মাইক্রোগ্র্যাভিটি নামে একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেছে ব্রিটেনের ফিজিক্যাল মাইন্ড লন্ডন নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এর উদ্ভাবক জন কেনেট জানান, যন্ত্রটি মহাকাশ অভিযানে নভোচারীকে দীর্ঘমেয়াদে ফিটনেস ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

ফিজিক্যাল মাইন্ড লন্ডনের সিইও জন কেনেট বলেন, ‘এটি একটি অনন্য যন্ত্র। এর মাধ্যমে একজন মহাকাশে ৩০০টিরও বেশি অনুশীলন করতে পারবে। এর অভাবনীয় দিক হলো, শূন্য মাধ্যাকর্ষণে একজন বারবার লাফ দিতে সক্ষম হবে এবং এটি তাৎক্ষণিকভাবে হাড়, পেশী ও হৃদযন্ত্র গঠনে সহায়ক।’

আরও পড়ুন:

ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ও যুক্তরাজ্যের মহাকাশ সংস্থার সহায়তায় কোম্পানিটি প্যারাবোলিক ফ্লাইট মাইক্রোগ্রাভিটেতে একাধিক পরীক্ষা চালিয়েছে।

জন কেনেট বলেন, ‘দুইটি প্রশ্নকে সামনে রেখে আমরা পরীক্ষা চালিয়েছি। প্রথমত, জিরো গ্রাভিটিতে একজন বিরতিহীনভাবে লাফাতে পারবে কিনা? দ্বিতীয়ত, আমরা বিমানে বল প্রেরণের পরিমাণ কমাতে পারি কিনা? শুধু তাই নয়, আমরা পরীক্ষায় একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকেও সামিল করেছি। আমরাই বিশ্বে প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার একজন শূন্য মাধ্যাকর্ষণে পরীক্ষায় নিয়ে এসেছি।’

ফিজিক্যাল মাইন্ড জানিয়েছে, যন্ত্রটিকে আরও কার্যকরী করতে যুক্তরাজ্যের গবেষকদের সঙ্গে যৌথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তাদের প্রত্যাশা, প্রযুক্তিটি লুনার গেটওয়ে প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

এসএস