আজ (সোমবার, ২৩ মার্চ) ফ্লোরিডার পাম বিচে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘জ্বালানি স্থাপনায় সম্ভাব্য হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আলোচনা সফল হলে পরিস্থিতি মিটে যেতে পারে, অন্যথায় বোমাবর্ষণ চলতেই থাকবে।’
ট্রাম্পের আর জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ বন্ধে ১৫ দফা নিয়ে আলোচনা করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হচ্ছে—ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগ করতে হবে। ‘প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শর্তই এটি,’ বলেন ট্রাম্প।
তিনি আরও দাবি করেন, ইরান শান্তির বিনিময়ে পারমাণবিক পরিকল্পনা ছেড়ে দিতে রাজি হতে পারে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয়ে নির্মিত একটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পরিকল্পনা করেছিল বলেও জানান তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘একটি হামলাতেই সেটি ধ্বংস হয়ে যেত—তাই তারা চুক্তি করতে চাইছে।’
আলোচনা প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, দুই দেশের মধ্যে ‘প্রায় সব বিষয়ে’ ঐকমত্য হয়েছে এবং আলোচনা ‘খুবই শক্তিশালী’ হয়েছে। এতে তার উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার যুক্ত রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
তবে একই সঙ্গে ইরানে ‘বড় আকারে শাসনে পরিবর্তন’ দেখতে চান বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হলে বৈশ্বিক তেলের দাম ‘‘হুড়মুড়িয়ে পড়ে যাবে’’। বর্তমানে সংঘাতের কারণে তেলের দাম বেড়েছে, বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী ঘিরে ইরানের হুমকির প্রেক্ষাপটে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।’
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের “একজন শীর্ষ ব্যক্তির” সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, যদিও নতুন সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে সরাসরি কথা হয়নি। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের অংশীদার দেশগুলোকেও আলোচনায় বিবেচনায় রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।





