আজ (শুক্রবার, ২৭ মার্চ) রাষ্ট্রপতি ভবনে অনুষ্ঠিত শপথ অনুষ্ঠানে শাহের পরনে ছিল ট্রাউজার্স ও জ্যাকেট, মাথায় ঐতিহ্যবাহী নেপালি টুপি ও চোখে সানগ্লাস—যা তার স্বতন্ত্র স্টাইলের প্রতিফলন ঘটায়। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি কূটনীতিক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গত ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তার দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি ২৭৫ আসনের সংসদে ১৮২টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। গত বছরের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের পর এটিই ছিল দেশটির প্রথম সাধারণ নির্বাচন।
৩৫ বছর বয়সী শাহ এর আগে কাঠমান্ডুর মেয়র ছিলেন। কয়েক দশকের মধ্যে তিনিই নেপালের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি মাধেসি নৃগোষ্ঠী থেকে উঠে আসা প্রথম নেতা হিসেবেও তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত হলেন।
আরও পড়ুন:
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক চাপে থাকা নেপাল এখন নতুন নেতৃত্বের অধীনে স্থিতিশীলতা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের সময়কার সহিংসতার তদন্ত বাস্তবায়ন করা তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।
এছাড়া বেকারত্ব, দারিদ্র্য এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ক্ষোভই সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের অন্যতম চালিকা শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারত ও চীনের মধ্যবর্তী ভূরাজনৈতিক অবস্থানও নতুন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।





