পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন: মুসলিম ভোটারদের টানতে ব্যস্ত প্রার্থীরা

নামাজ পড়ছেন ও ভোটের প্রচারণা চলছে
বিদেশে এখন
0

মুসলিমদের ভোটকে হাতিয়ার করেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারণায় ব্যস্ত তৃণমূল ও বামপন্থি প্রার্থীরা। রাজ্যের ৩০ শতাংশ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ভোট ব্যাংক ধরে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে ক্ষমতাসীন তৃণমূল। প্রধান বিরোধীদল বিজেপির বিরুদ্ধে মুসলিম নির্যাতনের অভিযোগও তুলছে তারা। আর বামপন্থি দলগুলোও মুসলিম ভোটারদের মন কাড়তে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

আগামী ২৩ এপ্রিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার ১৫২টি আসনে প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ। ভোট উৎসব শুরু হচ্ছে রাজ্যের উত্তরবঙ্গ থেকে। দ্বিতীয় ও শেষ দফায় ১৪২টি আসনে ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। এরই মধ্যে প্রার্থীরা ভোটারদের মন জয়ে নেমে পড়েছেন মাঠে, দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

প্রচারণায় ঈদের দিনটিকে কাজে লাগান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সংসদ সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে রেড রোডে ঈদের জামাতে উপস্থিত হয়ে মোদি সরকারের সমালোচনায় মাতেন তিনি। মুসলিম সম্প্রদায়ের পাশে থাকার আশ্বান দেন মমতা।

একই চিত্র প্রায় প্রতিটি জেলায়। উত্তর দমদম বিধানসভা কেন্দ্রে মুসলিম ভোটারদের মন কাড়তে চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখছেন না বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএম প্রার্থী দীপশীতা ধর। অভিযোগ করেন, যারা এখানে অনেকদিন ধরে বসবাস করছেন তাদেরকে চক্রান্ত করে ভোটের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:

বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআইএমের প্রার্থী দীপশীতা ধর বলেন, ‘আমরা এমন মানুষকে চিনি যাদের মা-বাবা এদেশের নাগরিক। তবে ছেলে-মেয়েরা এ দেশের নাগরিক নয়। ফলে ইচ্ছা করে সংখ্যালঘু, গরীবদের নাম কেটে দেয়ার চেষ্টা করছে। আমরা এর বিরুদ্ধে। আমরা বলছি আগে ভোটার পরে ভোট।’

এদিকে, বাঁকুড়ায় জনসংযোগ করেছেন সিপিআইএম প্রার্থী অভয় মুখোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অনুপ মণ্ডলও। রাজনৈতিক মতাদর্শগত পার্থক্য থাকলেও দুই প্রার্থীর উদ্দেশ্য ছিলো মুসলমান সম্প্রদায়ের মনে জায়গা পাওয়া।

এছাড়া, পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল, হুগলি জেলার রিষড়া, কামারহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে একইসঙ্গে প্রচারণা চালান তৃণমূল ও বামপন্থিরা। তবে এমন জনসংযোগে দেখা যায়নি বিজেপি প্রার্থীদের।

এফএস