গতকাল (বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল) আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেন, ‘যদি সেরা পরিস্থিতিতেও ফিরে আসে তারপরও আগের অবস্থায় নিখুঁতভাবে ও নির্বিঘ্নে ফিরে যাওয়া সম্ভব হবে না।’
জর্জিয়েভা বলেন, ‘তহবিলের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক পরিস্থিতিতেও জ্বালানির দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়া, অবকাঠামোর ক্ষতি, সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং বাজার-আস্থার ঘাটতির কারণে প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম হবে।’
আরও পড়ুন:
আইএমএফের ধারণা করছে, এই যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা হিসেবে সর্বোচ্চ ৫০ বিলিয়ন ডলার দিতে হতে পারে। পাশাপাশি খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় অন্তত ৪৫ মিলিয়ন মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ায় আইএমএফের কাছে স্বল্পমেয়াদে ব্যালেন্স-অব-পেমেন্ট সহায়তার চাহিদা ২০ বিলিয়ন থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের মতো বাড়তে পারে। তবে যুদ্ধবিরতি টিকে গেলে নিম্নসীমাটিই প্রযোজ্য হবে।’


 founder Abhijeet Dipke-320x167.webp)


