এপির প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির সম্প্রতি তেহরান সফরকালে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন প্রস্তাবগুলো ইরানের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে প্রস্তাবগুলোতে ঠিক কী রয়েছে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
অতিরিক্ত দাবি ছাড়ার শর্ত
নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, ইরান এখনো এই প্রস্তাবগুলোর আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি। তবে আলোচনার পরবর্তী ধাপের জন্য একটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে তেহরান। তারা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই তাদের ‘অতিরিক্ত ও উচ্চাভিলাষী দাবি’ পরিহার করতে হবে এবং বাস্তব পরিস্থিতির ভিত্তিতে নিজেদের প্রস্তাবগুলো সংশোধন করতে হবে।
হরমুজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ তেহরানের হাতে
বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘পুরোদমে যুদ্ধ শেষ না হওয়া এবং অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত’ হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে। ইরান এখন থেকে এই পথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবে, ট্রানজিট সার্টিফিকেট ইস্যু করবে এবং চলাচলের ওপর টোল বা ফি আরোপ করবে।
অবরোধ তুলে নেয়ার দাবি
নিরাপত্তা পরিষদ আরও যোগ করেছে, ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধকে তারা ‘যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন’ হিসেবে গণ্য করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই অবরোধ প্রত্যাহার করা না হচ্ছে, ততক্ষণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।
বিশ্লেষকদের মতে, স্থায়ী সমাধানের জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও মার্কিন নৌ-অবরোধ নিয়ে দুই পক্ষের অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।





