পুরো মহাদেশজুড়ে জ্বালানির দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ ও পরিবহন খাতের নাভিশ্বাস উঠেছে। প্রতিটি দেশ নিজ নিজ উপায়ে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করলেও জনগণের পক্ষ থেকে দাবি উঠছে যে, গৃহীত ব্যবস্থাগুলো পর্যাপ্ত নয়। কোটি কোটি গ্রাহক ও গৃহস্থালি এখন এই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন যে, বিদ্যুৎ ও তেলের বিল শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকবে।
আরও পড়ুন:
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এভিয়েশন বা বিমান চলাচল খাতে। এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি ছোট এয়ারলাইনস আগামী কয়েক মাসের জন্য তাদের ফ্লাইটের সংখ্যা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে।
সাইপ্রাস এই সংকটের দ্বিমুখী প্রভাবে পড়েছে। জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি অনিশ্চিত পরিস্থিতির কারণে দেশটিতে পর্যটকদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে, যা তাদের অর্থনীতিতে বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।





