নাওয়াফ সালাম বলেন, ‘আমরা তথাকথিত বাফার জোন (নিরাপদ অঞ্চল) বা ইসরাইলি উপস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারি না। যেখানে বাস্তুচ্যুত লেবাননিদের ফিরতে দেয়া হবে না এবং ধ্বংস হওয়া গ্রাম ও শহরগুলো পুনর্গঠন করা যাবে না, তেমন কোনো ব্যবস্থা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।’
আরও পড়ুন:
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন যে, ‘ইসরাইলের ওপর প্রভাব খাটানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রই প্রধান শক্তি।’ তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছাতে তাদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি তারা ইসরাইলের ওপর সেই প্রভাব খাটানো অব্যাহত রাখবে।’
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া যুদ্ধবিরতির পর লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে স্থায়ী শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনার তোড়জোড় চলছে। তবে নাওয়াফ সালামের এই অনড় অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দক্ষিণ লেবানন থেকে দখলদারিত্ব না ছাড়লে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনা কঠিন হবে।





