ইসরাইলের মৃত্যুদণ্ড আইন; ফিলিস্তিনিদের দমনের হাতিয়ার বলছে জাতিসংঘ

জাতিসংঘের পতাকা
বিদেশে এখন
0

নির্দিষ্ট কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ইসরাইলের পাস করা নতুন আইনকে ফিলিস্তিনিদের প্রতি চরম বৈষম্যমূলক ও মৌলিক মানবাধিকারের পরিপন্থী হিসেবে আখ্যা দিয়েছে জাতিসংঘের একটি সংস্থা। জাতিসংঘের বর্ণবাদবিরোধী কমিটি (সিইআরডি) এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, এই আইনটি কেবল ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করেই প্রণয়ন করা হয়েছে। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্য দূরীকরণ বিষয়ক কমিটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এই পদক্ষেপ ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী বৈষম্যকে চিরস্থায়ী করবে এবং এটি মানবাধিকারের মারাত্মক লঙ্ঘন।’ এতে আরও বলা হয়, ১৯৬২ সাল থেকে ইসরাইলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর যে অলিখিত স্থগিতাদেশ ছিল, নতুন এই আইন সেই প্রথাকে ভেঙে দিয়েছে। পাশাপাশি ইসরাইল ও অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মৃত্যুদণ্ডের পরিধি আরও বাড়িয়ে মানবাধিকারের ওপর বড় ধরনের আঘাত হেনেছে।

কমিটি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে যে, আইনের শর্তগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে এটি কার্যত কেবল ফিলিস্তিনিদের ওপরই কার্যকর করা যায়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই আইনটি কেবল তাদের ওপর প্রয়োগ করা হবে যারা ইসরাইল রাষ্ট্রের অস্তিত্ব অস্বীকার করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবে। এর ফলে এটি বাস্তব ক্ষেত্রে কেবল ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হচ্ছে।’

জাতিসংঘের এই কমিটি অবিলম্বে এই বৈষম্যমূলক আইন বাতিল করার জন্য ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী বৈষম্য ও পৃথকীকরণের সব ধরনের নীতি ও চর্চা বন্ধ করারও দাবি জানানো হয়েছে।

এএম